বগুড়া সংবাদ ডট কম (এস আই সুমন, মহাস্থান প্রতিনিধিঃ বগুড়া সদরের শেখেরকোলায় হতদ্ররিদ্রদের মাঝে ১০ কেজি দরে চাল বিক্রির অনিয়ম, একজন ডিলারের বিরুদ্বে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর ভোক্তাদের অভিযোগ।

রবিবার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বগুড়া সদরের ৭নং শেখেরকোলা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের মৃত শুকুর মাহমুদ প্রামানিকের পুত্র ভোক্তা বকুল হোসেন জানান, অত্র ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য মির্জাহাকিম মন্ডল তার পুত্র সোয়েব হোসেনের নামে ডিলার নিয়োগ নেয়।ডিলার হওয়ার পর থেকে প্রতি কেজি চাল ১০ টাকা দরে ৩০ কেজি করে প্রতি ভোক্তার মাঝে বিক্রির করার কথা থাকলেও সে ৩০ কেজি পরিবর্তে ২২/২৩ কেজি করে চাল প্রদান করে।

ডিজিটাল মিটার বা দাড়ি পাল্লা না ব্যবহার করে বালতি দিয়ে চাল বিক্রি করে আসছে। এব্যাপারে ভোক্তারা প্রতিবাদ করলে পিতা ও পুত্র মিলে তাদের সাথে মারমুখি আচরণ করে। তৎক্ষনাত সদর উপজেলা খাদ্য অফিসার মনির হোসেন উপস্থিত হয়ে তার অনিয়মের বিষয় গুলি জানতে পারেন এবং তাকে ডিজিটাল মিটার আনতে বলেন। তখন কয়েক জন ভোক্তার চাল মাপ করে জানতে পারেন যে ৩০ কেজির পরিবর্তে ২২/২৩ কেজি করে চাল বিক্রিয় করা হচ্ছো।

তিনি নির্দেশ প্রদান করেন যে ডিজিটাল মিটার ছাড়া এবং ৩০ কেজির কমে কোন চাল বিতরণ করা যাবে না। তার কথা অমান্য করে পূর্বের ন্যায় বালতি দিয়ে চাল বিক্রি শুরু করে। চাল বিক্রি কালে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শ্রী অপূর্ব চন্দ্র রায় উপস্থিত থাকার পরেও তার কথাও না শুনে এভাবেই তারা পিতা পুত্র মিলে ১৯/০৯/১৮ ইং তারিখে চাল বিক্রি করে। বিষয়টি ভূক্তভোগী মহল দ্রুত তার ডিলার শিপ বাতিল করে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর নির্দেশ মেনে নতুন ডিলারে মাধ্যমে চাল বিতরনের জন্য প্রশাসন সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন