বগুড়া সংবাদ ডট কম : (আদমদীঘি প্রতিনিধি সাগর খান) : মাদক, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজী, জুয়া, বাল্য বিবাহ, চুরি-ছিনতাই, ডাকাতির মত ঘটনা কঠোর হস্তে দমন করেছে বগুড়ার সান্তাহার টাউন পুলিশ ফাঁড়ির একজন সফল প্রথম পরিদর্শক মুসা মিয়া। তিনি সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়িতে ১ বছর আগে যোগদানের পর থেকে নিজে কর্ম দক্ষতার পরিচয় দিয়ে যোগদানের পর থেকে তিনি পুরো সান্তাহার পৌর শহরে অনিয়ম-দুর্নীতিসহ নানা শ্রেনীর মানুষের সাথে মিশে তাদের সর্ম্পকে জেনেছেন। তার অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে প্রথমে তিনি মাদক ব্যবসার প্রতি কঠোর নজরদারী করেন এবং পর্যায়ক্রমে মাদক বিক্রেতা ও সেবনকারীদের গ্রেফতার করে বগুড়া জেল হাজতে প্রেরণ করেছে। তিনি যোগদানের পর মাদকদ্রব্য আইনে ৮০টি মামলা, ডাকাতির ট্রাকসহ চাল উদ্ধার, মটরসাইকেল উদ্ধার ও চোর গ্রেফতার, চুরি হওয়া গরু উদ্ধার ও গরু চোর গ্রেফতারসহ চুরি-ছিনতাইয়ের অনেক মামলা দায়ের করেছে। সান্তাহার পৌর শহরে মাদক বিক্রেতা ও মাদক সেবীদের বিরুদ্ধে সাড়াশি অভিযানের ফলে শহরে মাদকদ্রব্য বেচা কেনা শূণ্যের কোঠায় গিয়ে দাড়িয়েছে। ফলে পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযান কে স্বাগত জানিয়েছেন মাদকাসক্ত পরিবারের লোকজনসহ সর্বস্তরের মানুষ। মাদক বিরোধী অভিযান কে দীর্ঘ স্থায়ী করার দাবী জানিয়েছে সান্তাহার পৌরবাসী।
তাছাড়া তার নিজ যোগ্যতা গুনে দালালদের চিহিত করে কৌশলে তাদের বর্জন করে। পাশাপাশি তিনি বাল্য বিবাহ বন্ধ করেছেন এবং বাল্য বিবাহ কুফল নিয়ে বিভিন্ন সভা সেমিনাল করে চলেছে। সান্তাহার পৌর শহরের অপর্যাপ্ত যানবাহনের জন্য তিনি যানজট নিরশনে তার ভুমিকা ব্যাপক। ট্রাফিক পুলিশের পাশাপাশি তিনি নিজেও যানজট নিরশন করতে দিনের বেলা অক্লান্ত পরিশ্রম করতে দেখা গেছে। সান্তাহার একটি বৃহৎ রেলওয়ে জংশন শহর হওয়াই এই ষ্টেশন থেকে বহু ট্রেন যাত্রী উঠানামা করে এবং গভীর রাত পযর্ন্ত এই শহর দিয়ে ট্রেন যাত্রীরা যাতাযাত করে থাকেন। সেখানেও নিরাপত্তা দিতে পুলিশ ডিউটির পাশাপাশি তিনি নিজেও ভোর ৫টা পযর্ন্ত ডিউটি করে থাকেন। মাদককের সাথে আপসহীন এ পরিদর্শক মিয়া অসহায় মানষের সেবা দেওয়াটাই তার ধর্ম হিসেবে বেছে নিয়েছেন। এদেশের সাধারন মানুষের প্রশ্ন পুলিশ কয়টা ভালো কাজ করে কিন্তু পরিদর্শক মুসা মিয়া তার কাজ কর্মে বাস্তব প্রমান মিলেছে পুলিশও ভালো কাজ করে। একদিকে তিনি নিজের পেশাকে যেমন গুরুত্ব দেয় তেমনি অন্যদিকে জনগনের সেবক হিসেবে কাজ কর্ম করেন। তিনি গত ১৫ সেপ্টেম্বর ১৭ ইং তারিখে দুপচাঁচিয়া থানা থেকে পদোন্নতি পেয়ে সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়িতে প্রথম পরিদর্শক হিসেবে যোগদান করেন। তার ১ বছরের কাজ কর্ম দিয়ে সান্তাহার পৌরবাসীকে মুগ্ধ করেছে। সর্ব পেশার অসহায় মানুষ এখন ভালো পরামর্শ নিতে আসেন চলে পুলিশ পরিদর্শন মুসা মিয়ার কাছে। মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবনকারীদের দৌরাত্ব্য আর চোখে পড়ে না। শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে চলাকালীন সময় রাস্তা ঘাটে নেই কোন বখাটেদের আড্ডা, রাতে নেই কোন ডাকাতি, চুরি, ছিনতাইয়ের ঘটনা। তার কর্ম দক্ষতার মধ্যে দিয়ে তিনি এক সময় মাদকের শহর হিসেবে ব্যাপক পরিচিত থাকলেও বর্তমানে তার নাম বদলে সান্তাহার শান্তির শহর হিসেবে পরিচিতি লাভ করতে শুরু করেছে। শহরের কেহ আর প্রকাশ্যে মাদক সেবন অথবা বিক্রয় করতে পারে না। জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, মাদক ও বাল্য বিবাহ বিরুদ্ধে সোচ্চার তিনি। এখন আর কোন জনগন কে সেবা পেতে কোন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে না। যে কেহ সহজেই সেবা নিতে যেতে পারেন পুলিশ ফাঁড়িতে।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন