বগুড়া সংবাদ ডটকম (শেরপুর সংবাদদাতা কামাল আহমেদ) আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে বগুড়ার শেরপুরে বিভিন্ন পুঁজা মন্ডপে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। পূজার প্রধান আকর্ষণ দূর্গা প্রতিমা তৈরিতে শিল্পীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত প্রতিমা তৈরির কাজ চলছে। এ বছর এ উপজেলায় ৭৬টি মন্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। আর প্রতিমা তৈরির কাজ নির্বিঘেœ করতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে পুলিশ প্রশাসন।
উপজেলা পুজা উৎযাপন পরিষদ সুত্রে জানা যায়, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর দেবীর বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের এ মহোৎসব। এ উৎসবের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ দুর্গা প্রতিমা। তাই শেরপুর শহরসহ দশটি ইউনিয়নের পুঁজা মন্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজ চলছে। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাদা, মাটি, খড়, কাঠ, বাঁশ, সুতলি দিয়ে দুর্গা প্রতিমা তৈরিতে শিল্পীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। মাটির কাজ শেষ হলেই শুরু হবে রং-তুলির আঁচড়। প্রতিমাগুলো মনোমুগ্ধকর ও নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলতে নিবিড়ভাবে শিল্পীরা কাজ করছেন। তাদের আশা নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ হবে সব প্রতিমা তৈরির কাজ।
উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি নিমাই ঘোষ জানান, শেরপুরে দুর্গা পূজা সর্বজনীনভাবে প্রতিবছর উদযাপিত হয়। প্রশাসনসহ সর্বস্তরের মানুষের সহায়তায় এবারের দুর্গাপূজাও সুষ্ঠু ও শান্তি পূর্ণভাবে উদযাপিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। উপজেলার ৭৬ টি মন্ডপের মধ্যে ০৮টি মন্ডপকে ঝুঁকিপূর্ন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সিরাজুল ইসলাম বলেন- দুর্গা পূজা উপলক্ষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে প্রতি মন্ডপে ৫’শ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেয়া হবে।
শেরপুর থানা অফিসার ইনচার্জ খান মোঃ এরফান জানান, প্রতিমা তৈরির কাজ নির্বিঘেœ করতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের পাশাপাশি সকল অফিসারদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এবারের দুর্গোৎসব সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন