বগুড়া সংবাদ ডট কম : বগুড়ায় নারুলী পুলিশ ফাঁড়ির তিন পুলিশ কর্মকর্তাসহ ৮জনের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত চাঁদাবাজি মামলার বাদী শাহ আলম (৪০) কে ৮ বছরের শিশু কন্যা ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার করেছে সদর থানা পুলিশ। আদালতের নির্দেশে মঙ্গলবার রাতে শিশু ধর্ষণ সংক্রান্ত একটি মামলা থানায় রেকর্ড করে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত শাহ আলম সদরের বুজরুক বাড়িয়া গ্রামের সিরাজ উদ্দীন প্রাং এর পুত্র। বুধবার ভিকটিম এর ডাক্তারী পরীক্ষা শেষে আদালতে হাজির করা হলে জেলা বগুড়ার অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজেষ্ট্রেট মি. শ্যাম সুন্দর রায় ফৌজদারী কার্যবিধির ২২ ধারায় ভিকটিম এর জবানবন্দী রেকর্ড করেন। আদালতের নির্দেশে আসামী শাহ আলমকে জেল হাজতে পাঠায় পুলিশ।

পুলিশ জানায়, ধর্ষিত ওই শিশু কন্যার পিতা আব্দুল বাছেদ বাদী হয়ে শাহ আলম (৪০) কে আসামী করে গত মঙ্গলবার জেলা বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-০১-এ একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করে। বাদীর অভিযোগ শুনে বিজ্ঞ বিচারক এ,কে,এম ফজলুল হক অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহন করে তদন্তের নির্দেশ দিলে সদর থানার ওসি উক্ত অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহন করে একমাত্র আসামী শাহ আলমকে গ্রেফতার করেন।

উল্লেখ্য, গত ২৭ আগষ্ট সোমবার গ্রেফতারকৃত শাহ আলম বাদী হয়ে নারুলী ফাঁড়ির তিন পুলিশ কর্মকর্তাসহ ৮জনের বিরুদ্ধে জেলা বগুড়ার সদর থানার আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় শাহ আলম অভিযোগ করেছিল বুজরুক বাড়ীয়া গ্রামের আব্দুল বাছেদ তার পালিতর শিশু কন্যার সাথে তাকে নগ্ন করে মোবাইল ফোনে ছবি উঠিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলা এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছেড়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে এক লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করেছিল। ওই অভিযোগটি তদন্ত করে এক মাসের মধ্যে রিপোর্ট দেয়ার জন্য বগুড়ার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেয় আদালত।

ধর্ষণ মামলায় বাদী অভিযোগ করেছেন গত ২০ আগষ্ট রাত সাড়ে ৮টায় তার মেয়ে (ভিকটিম) পাশ্ববর্তি ফুফুর বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার সময় আসামী শাহ আলম নির্মানাধিন বাড়ির ২য় তলায় নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন