বগুড়া সংবাদ ডট কম (সারিয়াকান্দি প্রতিনিধি রাহেনূর ইসলাম স্বাধীন) : সম্প্রতি বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) অজ্ঞতায় সড়কে ভাঙ্গন দিনদিন বৃদ্ধি পেয়েছে। সৃষ্টি হয়েছে বড়-বড় গর্তের। ফলে ঝুঁকিনিয়েই করছে যানচলাচল। যাত্রীসাধারণ ও ভুক্তভোগী মহল দাবি করছেন সড়কগুলো যথাসময়ে মেরামত করা না হলে যেকোন সময় বড় ধরণের দুর্ঘটনা গটতে পারে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সারিয়াকান্দি-ধুনটের কড়িতলা-বগুড়া গামীর সড়কের গুলারতাইড় গোলের বাড়ী নামক স্থানে ছোট কালর্ভাটটি আঁট সালের ভয়বহ বন্যায় দেবে গিয়ে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে সরকারি উদ্যোগে দেবে যাওয়া কালর্ভাটের উপরে মাটি দিয়ে যানচলাচলের উপযোগী করা হয়। কিন্তু বর্তমানে সড়কটি নিচু থাকায় সামন্য বৃষ্টির পানিতেই গাড়ী চলাচলে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। বিকল হচ্ছে গাড়ী যান্ত্রাংস।
এদিকে ধুনট-সারিয়াকান্দি গামী সড়কের সোনাপুর তিনমাথা নামক এলাকায় পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় পানি পারাপারে সড়কের পশ্চিম পার্শ্বে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। দিনদিন তা যেন মরণফাঁদে রূপ নিচ্ছে। সম্প্রতি উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কর্তৃক জোড়গাছা বীরমুক্তিযোদ্ধা গিয়াস উদ্দীন, জোড়গাছা বাজার গণি ডাক্তার দোকানের সামনে ও জোড়গাছা পূর্বপাড়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও লিল্লাহ বোডিং এর সামনে পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা করা হলেও যথাস্থানে তা না দেওয়ায় সমস্যা থেকেই যায়। দেখা দিয়েছে পূণরায় ভাঙ্গন। বিশেষ করে হান্নান কাজীবাড়ী সলগ্ন ও নয়া মিঞার সুতার দোকানের কাছে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
অপরদিকে জোড়গাছা বাজার চারমাথার সমস্ত পানি দুলু সরকারের বাড়ী সংলগ্ন ছোট কালর্ভাটের পাশ দিয়ে নেমে যাওয়ায় গত বছরের ন্যায় সড়কের অর্ধেকাংশ পুকুরে বিলীন হয়ে গেছে। গত বছর স্থানীয় চেয়ারম্যান রুবেল উদ্দীনের উদ্যোগে মেরামত করা হলেও এ বছর তা করা হয়নি। নেয়নি এলজিইডি কর্মকর্তা খোঁজ খবর। এছাড়াও নতুন পাড়া মফিজ উদ্দীনের বাড়ী মোড়ে পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় নাসির উদ্দীনের বাড়ী সংলগ্ন সড়ক পুকুরে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ সূত্র জানিয়েছে, বেশ কয়েকদিন আগে পাট বোঝাই ট্রাক গাড়ী ব্রীজ পারাপারে দুর্ঘটনার আশঙ্কা এড়াতে স্থানীয় গাড়ী শ্রমিকর (কুলি) ব্রীজের পার্শ্বে বস্তা দিয়ে গাড়ী পার করে।
শুধু তাই নয় জোড়গাছা পশ্চিমপাড়া বাঙ্গালী নদীর ব্রীজের পূর্বপার্শ্বের আংশিক সড়ক নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এলাকাবাসী, যাত্রীসাধারণ ও চালকদের দাবি এভাবে সড়কের ভাঙ্গন রোধ না করা হলে যেকোন সময় বড় আকার ধারণ করবে। ঘটবে বড় ধরণের দুর্ঘটনা। তাই চি‎হিত স্থানগুলোতে পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা চেয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলীর কাছে জোড় দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী মহল।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন