বগুড়া সংবাদ ডটকম (এম এ মতিন, কাহালু (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার কাহালুর বীরকেদার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষকের মধ্যে মারপিটের ঘটনার সংবাদ গত ১৫ জুলাই স্থানীয় বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশ হওয়ার রোববার বিদ্যালয়ে সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত করলেন কাহালু উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার শাহ আবু মোঃ রায়হান ও মোঃ শামীম ইকবাল।

তদন্তের সংবাদ শুনে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন বীরকেদার ইউ পি চেয়ারম্যান মোঃ ছেলিম উদ্দিন, বীরকেদার ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ছানাউল্ল্যাহ তালুকদার ঝিলু, সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসেন, বীরকেদার ইউ পি সদস্য জহুরুল ইসলাম, মোকলেছার রহমান, বীরকেদার ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রোস্তম আলী, বীরকেদার আন্তঃজেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি বেলাল হোসেন, অত্র বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য সাবিনা ইয়াসমিন সহ প্রায় ২ শতাধিক ছাত্র/ছাত্রীর অভিভাবক ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

বীরকেদার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রউফের চরিত্র হন করে বগুড়ার একটি স্থানীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। উক্ত পত্রিকায় প্রকাশিত এ সংবাদের ফটোকপি বিদ্যালয়ের ছাত্র/ছাত্রী ও এলাকাবাসীর মাঝে বিতরন করেন অত্র বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক আতাউর রহমান বলে ছাত্র/ছাত্রী ও এলাকাবাসী জানান।

গত ১৪ জুলাই সাড়ে ৯ টায় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে প্রকাশিত সংবাদের ফটোকপি বিতরন নিয়ে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে শিক্ষক আব্দুর রউফ অপর শিক্ষক আতাউর রহমানের মধ্যে মারপিটের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উভয় শিক্ষক আহত হন। বহিরাগত লোকজন বিদ্যালয়ে আসলে চারদিকে উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে। সংবাদ পেয়ে কাহালু থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। রোববার তদন্তের সময় অত্র বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য, ছাত্র/ছাত্রীর অভিভাবক ও অত্র বিদ্যালয় এলাকার অধিকাংশ গন্যমান্য ব্যক্তি লিখিত দেন অত্র বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক আতাউর রহমান এই ঘটনার জন্য দায়ী এবং তাকে অন্যত্র বদলির জন্য।

সরেজমিনে বিদ্যালয়ে গিয়ে বীবকেদার ইউ পি চেয়ারম্যান মোঃ ছেলিম উদ্দিন, বীরকেদার ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসেন সহ অত্র বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য, ছাত্র/ছাত্রীর অভিভাবক ও অত্র বিদ্যালয় এলাকার অধিকাংশ গন্যমান্য ব্যক্তির সাথে কথা বলা হলে তারা জানান, বীরকেদার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রউফ এর সময় শিক্ষার মান ভালো হয়েছে এবং ছাত্র/ছাত্রীরা বৃত্তি পাওয়া শুরু করেছে।

এ ব্যাপারে কাহালু উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার শাহ আবু মোঃ রায়হান ও মোঃ শামীম ইকবাল এর সাথে কথা বলা হলে তারা জানান, বীরকেদার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষকের মধ্যে মারপিটের ঘটনার সংবাদ গত ১৫ জুলাই স্থানীয় বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশ হওয়ায় উপজেলা শিক্ষা অফিসার আমাদেরকে উক্ত ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছে তাই আমরা উক্ত ঘটনার তদন্ত করতে এসেছি।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন