বগুড়া সংবাদ ডট কম (মহাস্থান(বগুড়া)প্রতিনিধিঃ বগুড়ায় বেসরকারি একটি হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর পলাতক রয়েছে অভিযুক্ত চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে সদর থানা পুলিশ।

বগুড়ায় ভুল চিকিৎসায় রোগী মৃত্যুর অভিযোগ-অভিযুক্ত চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পলাতক।সরে জমিনে ও রোগীর স্বজনদের পক্ষ থেকে জানা গেছে, বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার ফুলদিঘী এলাকার সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাকিবকে পেটে ব্যথাজনিত কারণে শহরের ডক্টরস ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয়।

এ সময় চিকিৎসক অ্যাপেনডিসাইটিস বলে তাকে প্রাথমিক ব্যবস্থাপত্র দেন। এরপর বাড়ি যায় সাকিব।কিছুক্ষণ পর অপরিচিত দুই ব্যক্তি তাদের বাড়িতে গিয়ে স্বল্প খরচের আশ্বাস দিয়ে জরুরি ভিত্তিতে অপারেশনের কথা বলে। তাদের সহায়তায় সাকিবকে বগুড়া শহরের ডলফিন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাকে অপারেশন করেন ডা. একে পাল।

একপর্যায়ে জ্ঞান না ফিরলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে সাকিবকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। এ ঘটনায় ভুল চিকিৎসার অভিযোগ করে দোষীদের শাস্তির দাবি জানান স্বজনরা।

সাকিবের একজন আত্মীয় বলেন, পাঁচ মিনিটের একটা অপারেশন, সেখানে এক ঘন্টাতেও কোন খবর নাই। পরে আমরা নিজেরা উঁকি মেরে দেখি, আমাদের বাচ্চার কোন নিঃশ্বাস নেই।’সাকিবের বাবা বলেন, ‘যারা টাকার জন্য মানুষকে জবাই করতে পারে তাদের ফাঁসি চাই। যারা ডাক্তার না, ডাক্তার সেজে যারা চিকিৎসা দিচ্ছে তাদের ফাঁসি দেয়া হোক।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানায় পুলিশ। বগুড়া সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) কামরুজ্জামান বলেন, ঘটনাস্থলে পৌছার পর ডাঃ সহ সংশ্লিষ্ট কাউকে পাওয়া যাইনি। পোস্টমোর্টেম হলে যানা যাবে কিভাবে সাকিব মারা গেছে।’

ঘট্নার পর থেকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও অভিযুক্ত চিকিৎসক একে পাল পলাতক রয়েছে। এই ভাবে অনভিজ্ঞ ডাঃ দ্বারা আর কত প্রাণ অকালে ঝড়ে যাবে? এদেরকি ব্যবস্থা হবে না?

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন