bograsangbad_Logoবগুড়া সংবাদ ডটকম (কাহালু প্রতিনিধি এম এ মতিন) : প্রতিবন্ধী কিশোরীকে তুলে নিয়ে গনধর্ষনে ৫ মাসের অন্তঃ সত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় অবশেষে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের কামারগ্রাম ( ছাতিয়াগাড়ী) গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে। তবে এ ঘটনায় মামলা দায়েরের ৫ দিন অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত অভিযুক্তদের কাউকেই গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
ধর্ষিতার ডাক্তারী পরীক্ষা ও আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দী সম্পন্ন করেছে। ঘটনাটি ধামাচাপা ও মামলা মিমাংসার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে স্থানীয় ইউপি সদস্যা মাজেদা বেগম ও আওয়ামীলীগনেতা আব্দুর রাজ্জাক সহ গ্রাম্য মাতব্বররা। এনিয়ে স্থানীয়দের মাঝে চাপা ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত ও ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তিরা প্রভাবশালী হওয়ায় ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না কেউ। এমনকি স্থানীয় গনমাধ্যম কর্মীরাও রহস্যজনক কারনে নিরব রয়েছেন।
সরেজমিনে গিয়ে মামলার বিবরণে ও স্থানীয়রা জানান, দুপচাঁচিয়া উপজেলা সদর ইউনিয়নের কামারগ্রাম (ছাতিয়াগাড়ী) গ্রামের দিনমজুর শহিদুলের বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কিশোরী মেয়ে (১৪) গত ২৫ এপ্রিল সকালে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে একই এলাকার প্রবাসী শামছুর রহমানের লম্পট ছেলে নাঈম ও এমদাদুলের ছেলে নাহিদুল সহ ৫/৭ জন বখাটে ঐ প্রতিবন্ধী কিশোরীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে বাড়ির পার্শে¦ জঙ্গল ঘেরা ভাঙা বাড়িতে (ভূতের বাড়ি) পালাক্রমে গনধর্ষন করে।
স্থানীয়রা জানান, ঘটনাটি জানাজানি হলে প্রবাসী শামছুরের অর্থের দাপটে স্থানীয় আওয়ামীলীগনেতা আব্দুর রাজ্জাকের তৎপরতায় বিষয়টি ধামাচাপা দেয়। এরপর ধর্ষিতা অন্তঃসত্ত্বা হলেই এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়। অবশেষে গত ৭ সেপ্টেম্বর লম্পট ধর্ষক নাইম ও নাহিদুলকে অভিযুক্ত করে দুপচাঁচিয়া থানায় নারী-শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ (৩) ধারায় ধর্ষিতা প্রতিবন্ধী কিশোরীর পিতা বাদী হয়ে মামলা (নং-৭) দায়ের করেন। অভিযুক্তরা পলাতক থাকায় এখন পর্যন্ত কাউকেই গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, গনধর্ষনের ঘটনায় জোবায়ের, আরিফুল সহ অনেকেই সম্পৃক্ত থাকলেও রহস্যজনক কারনে তাদেরকে ছেড়ে শুধুমাত্র দুইজনকে মামলার আসামী করা হয়েছে। যে কারনে স্থানীয় জনতার মাঝে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। থানা পুলিশকে নিয়েও চলছে সমালোচনা।
ধর্ষিতার চাচা হবিবর রহমান বলেন, ধর্ষিতা পিতা ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত। সে বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে ভিক্ষাবৃত্তি করে চিকিৎসা খরচ চালিয়ে নেন। ধর্ষিতার মা’ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী। তিনি অন্যের বাড়িতে বুয়ার কাজ করেন। স্বামী-স্ত্রী দুজনই সকাল সকালেই কাজে বেড়িয়ে যান। তাদের বাড়িতে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কিশোরী মেয়ে ও এক শিশু ছেলে থাকে। প্রতিদিনের ন্যায় ঘটনার দিন সকালে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে তুলে নিয়ে গনধর্ষন করেছে লম্পটেরা। তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় ইউপি সদস্যা মাজেদা বেগম ও আওয়ামীলীগনেতা আব্দুর রাজ্জাক বিষয়টি এড়িয়ে যান।
মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা দুপচাঁচিয়া থানা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম জানান, ধর্ষিতা প্রতিবন্ধী মেয়েটি ২০ সপ্তাহের অন্তসত্বা। দেরিতে মামলা দায়ের করায় অভিযুক্তরা নাগালের বাইরে চলে গেছে। মামলার তদন্ত চলছে এবং আসামী গ্রেফতারে জোর প্রচেষ্টা চলছে। ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত কেউই রেহাই পাবেনা। আসামী যেই হোক তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।
বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় প্রতিবন্ধী
কিশোরীকে গনধর্ষন, ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা
কাহালু (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ প্রতিবন্ধী কিশোরীকে তুলে নিয়ে গনধর্ষনে ৫ মাসের অন্তঃ সত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় অবশেষে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের কামারগ্রাম ( ছাতিয়াগাড়ী) গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে। তবে এ ঘটনায় মামলা দায়েরের ৫ দিন অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত অভিযুক্তদের কাউকেই গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
ধর্ষিতার ডাক্তারী পরীক্ষা ও আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দী সম্পন্ন করেছে। ঘটনাটি ধামাচাপা ও মামলা মিমাংসার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে স্থানীয় ইউপি সদস্যা মাজেদা বেগম ও আওয়ামীলীগনেতা আব্দুর রাজ্জাক সহ গ্রাম্য মাতব্বররা। এনিয়ে স্থানীয়দের মাঝে চাপা ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত ও ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তিরা প্রভাবশালী হওয়ায় ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না কেউ। এমনকি স্থানীয় গনমাধ্যম কর্মীরাও রহস্যজনক কারনে নিরব রয়েছেন।
সরেজমিনে গিয়ে মামলার বিবরণে ও স্থানীয়রা জানান, দুপচাঁচিয়া উপজেলা সদর ইউনিয়নের কামারগ্রাম (ছাতিয়াগাড়ী) গ্রামের দিনমজুর শহিদুলের বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কিশোরী মেয়ে (১৪) গত ২৫ এপ্রিল সকালে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে একই এলাকার প্রবাসী শামছুর রহমানের লম্পট ছেলে নাঈম ও এমদাদুলের ছেলে নাহিদুল সহ ৫/৭ জন বখাটে ঐ প্রতিবন্ধী কিশোরীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে বাড়ির পার্শে¦ জঙ্গল ঘেরা ভাঙা বাড়িতে (ভূতের বাড়ি) পালাক্রমে গনধর্ষন করে।
স্থানীয়রা জানান, ঘটনাটি জানাজানি হলে প্রবাসী শামছুরের অর্থের দাপটে স্থানীয় আওয়ামীলীগনেতা আব্দুর রাজ্জাকের তৎপরতায় বিষয়টি ধামাচাপা দেয়। এরপর ধর্ষিতা অন্তঃসত্ত্বা হলেই এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়। অবশেষে গত ৭ সেপ্টেম্বর লম্পট ধর্ষক নাইম ও নাহিদুলকে অভিযুক্ত করে দুপচাঁচিয়া থানায় নারী-শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ (৩) ধারায় ধর্ষিতা প্রতিবন্ধী কিশোরীর পিতা বাদী হয়ে মামলা (নং-৭) দায়ের করেন। অভিযুক্তরা পলাতক থাকায় এখন পর্যন্ত কাউকেই গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, গনধর্ষনের ঘটনায় জোবায়ের, আরিফুল সহ অনেকেই সম্পৃক্ত থাকলেও রহস্যজনক কারনে তাদেরকে ছেড়ে শুধুমাত্র দুইজনকে মামলার আসামী করা হয়েছে। যে কারনে স্থানীয় জনতার মাঝে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। থানা পুলিশকে নিয়েও চলছে সমালোচনা।
ধর্ষিতার চাচা হবিবর রহমান বলেন, ধর্ষিতা পিতা ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত। সে বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে ভিক্ষাবৃত্তি করে চিকিৎসা খরচ চালিয়ে নেন। ধর্ষিতার মা’ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী। তিনি অন্যের বাড়িতে বুয়ার কাজ করেন। স্বামী-স্ত্রী দুজনই সকাল সকালেই কাজে বেড়িয়ে যান। তাদের বাড়িতে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কিশোরী মেয়ে ও এক শিশু ছেলে থাকে। প্রতিদিনের ন্যায় ঘটনার দিন সকালে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে তুলে নিয়ে গনধর্ষন করেছে লম্পটেরা। তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় ইউপি সদস্যা মাজেদা বেগম ও আওয়ামীলীগনেতা আব্দুর রাজ্জাক বিষয়টি এড়িয়ে যান।
মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা দুপচাঁচিয়া থানা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম জানান, ধর্ষিতা প্রতিবন্ধী মেয়েটি ২০ সপ্তাহের অন্তসত্বা। দেরিতে মামলা দায়ের করায় অভিযুক্তরা নাগালের বাইরে চলে গেছে। মামলার তদন্ত চলছে এবং আসামী গ্রেফতারে জোর প্রচেষ্টা চলছে। ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত কেউই রেহাই পাবেনা। আসামী যেই হোক তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন