বগুড়া সংবাদ ডট কম (শেরপুর প্রতিনিধি রায়হানুল ইসলাম) : বগুড়ার শেরপুরের আম্বইল গোরতা মহাশ্বশ্মান কালি মন্দিরের মুর্তি ভাংচুরের ঘটনায় শেরপুর থানায় মৌখিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে গতকাল সোমবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও শেরপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
জানা যায়, উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের আম্বইল গোরতা মহাশ্বশ্মান কালি মন্দিরে হিন্দু সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরে পুঁজা অর্চনা করে আসছে। ওই মন্দির উচ্ছেদের জন্য গত রোববার দুপুর ১টার দিকে ১৫/১৬জনের একদল দুর্বৃত্ত দেশি অস্ত্রসহ মাইক্রোবাস ও মটরসাইকেল নিয়ে মন্দিরের ভিতরে ঢুকে শিব ও কালি মুর্তি ভাংচুর করেছে বলে এলাকাবাসি জানিয়েছেন। আশে পাশের লোকজন টের পেয়ে ঘটনাস্থলে এগিয়ে আসলে দূর্বৃত্তরা দ্রুত পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ওই রাতেই নৃ-গোষ্ঠীর নেতারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও শেরপুর থানায় মৌখিক অভিযোগ করলে গতকাল সোমবার দুপুর ২টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সিরাজুল ইসলাম ও শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সিরাজুল ইসলাম বলেন, নৃ-গোষ্ঠীর নেতাদের মৌখিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমি ও ওসি সাহেব ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দেখেছি মন্দিরের কোন দরজা জানালা নেই। মুর্তির মাথায় আংশিক ভাঙ্গা দেখা গেছে। তবে লিখিত অভিযোগ দিলে মামলা নিয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন