বগুড়া সংবাদ ডট কম (ইমরান হোসেন ইমন, ধুনট (বগুড়া) থেকে: বগুড়ার ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাজিয়া সুলতানা ও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খান মো: এরফানের হস্তক্ষেপে যাতায়াতের রাস্তা পেয়েছে রাহেলা খাতুন নামের এক বিধবা মহিলা। সোমবার সকালে উপজেলার রামকৃষ্ণপুর গ্রামে ওই বিধবার বাড়ীতে যাতায়াতের একমাত্র রাস্তাটির বেড়া অপসারন করা হয়। এতে ওই বিধবা ও তার পরিবারের লোকজনের তিন মাসের অবরুদ্ধ জীবন যাপনের অবসান ঘটে।
জানাগেছে, উপজেলার রামকৃষ্ণপুর গ্রামের বানিয়াজান খালের পাড়ে বিধবা রাহেলা খাতুন তার ছেলে রুহুল আমিন ও রুবেল হোসেনকে নিয়ে প্রায় ৩০ বছর যাবত বসবাস করে আসছে। বর্তমানে বিধবার দুই ছেলে ঢাকায় শ্রমিকের কাজ করার সুবাদে বড় ছেলের স্ত্রীর সাথেই সে তার বাড়ীতে বসবাস করে। তার বাড়ীতে যেতে হলে প্রতিবেশি আজিবর রহমানের বাড়ীর পাশের রাস্তা দিয়েই যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আজিবর রহমান ওই বিধবার বাড়ীতে যাতায়াতের একমাত্র রাস্তাটি বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেয়। এতে তিন মাস যাবত ওই বিধবা ও তার পরিবারের লোকজন অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। সম্প্রতি বিধবার ছেলে রুহুল আমিন ঢাকা থেকে বাড়ী ফিরে এবিষয়ে ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগটি আমলে নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিয়া সুলতানা তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নিতে ধুনট থানা পুলিশকে নির্দেশনা প্রদান করেন। সোমবার সকালে ধুনট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খান মো: এরফানের নেতৃত্বে পুলিশ ওই বিধবার বাড়ীর যাতায়াতের একমাত্র রাস্তাটির বেড়া অপসারন করে দেয়।
বিধবা রাহেলা খাতুন জানান, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিবেশি আজিবর রহমান তার বাড়ীর যাতায়াতের একমাত্র রাস্তটি বন্ধ করে দিয়েছিল। রাস্তটি বন্ধ করে দেওয়ায় তিন মাস যাবত অবরুদ্ধ জীবন কাটিয়েছেন। অবশেষে ইউএনও ও ওসির হস্তক্ষেপে রাস্তাটির বেড়া অপসারন করায় তিনি খুব খুশি।
ধুনট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খান মো: এরফান বলেন, প্রতিবেশির সাথে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে রাস্তটি বন্ধ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে সমঝোতা করে রাস্তটি খুলে দেওয়া হয়েছে।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন