বগুড়া সংবাদ ডট কম (সাগর খান, আদমদীঘি প্রতিনিধি ঃ  পরকিয়ায় আসক্ত এক স্কুল শিক্ষক কে কুপিয়ে ও গোপনাঙ্গ কেটে হত্যার ঘটনায় মামলা হলেও মামলার তদন্তকারী অফিসারের ধীর গতির কারনে উপজেলার নশরপুর ইউনিয়নের ডুমরী গ্রাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আলোচিত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রশিদ (৫৭) খুনের দীর্ঘ আড়াই মাস অতিবাহিত হলেও এখনও পর্যন্ত খুনিদের সনাক্ত কিংবা মূল খুনিদের সনাক্ত করতে এমনকি এজাহারভুক্ত আসামীদের গ্রেফতার করতে পারেনি। এদিকে গ্রেফতারকৃত আসামী আফরোজা বেগম সম্প্রতি আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পাওয়ায় মামলার বাদী প্রধান শিক্ষকের ছেলে ছাইফুল ইসলাম সহ তার পরিবার হতাশ ও নিরাপত্তা অভাববোধ করছেন বলে জানান।

উল্লে¬খ্য,গত ১৯ এপ্রিল রাতে উপজেলার নসরতপুর ইউনিয়নের ডুমুরী গ্রাম গ্রামের মধ্যপাড়ার বাসিন্দা ওই গ্রামের সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রশিদ (৫৭) বাড়ীর পার্শ্বে পুকুরে মাছের খাবার দিতে গিয়ে রাতেই খুনের শিকার হন। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে ছাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে একই গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক তার স্ত্রী আফরোজা বেগম সহ ৪ জনের নাম উলে¬খ সহ অজ্ঞাত আরো কয়েক জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ঘটনার পর পুলিশ আব্দুর রাজ্জাক ও তার স্ত্রী আফরোজা বেগম কে গ্রেফতার করে তাদের এক দিনের রিমান্ড নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেও কোন তথ্য উদঘাটন করতে পারেনি। সম্পতি গ্রেফতাকৃত আফরোজা বেগম আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পাওয়ায় বাদী সহ তার পরিবার হত্যার বিচার নিয়ে সংশয়ে পড়েছে। এদিকে পুলিশের ধীরগতিতে তদন্ত ও ঢিলেঢালা অভিযান চলায় দীর্ঘ আড়াই মাসেও এ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত প্রকৃত খুনিদের সনাক্ত কিংবা আসামীদের গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। মামলার তদন্তকারী অফিসার ফজলুল হক জানান, পলাতক আসামীদের গ্রেফতার তৎপরতা ও মূল হত্যাকারীদের সনাক্ত করতে জোড় চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন