বগুড়া সংবাদ ডট কম (ইমরান হোসেন ইমন, ধুনট থেকে) : বগুড়ার ধুনট উপজেলায় দীর্ঘদিন যাবত মেরামত না করায় ভারী বর্ষণে সড়ক ও জনপদ বিভাগ ও এলজিডির প্রায় ২শ কিলোমিটার পাকা সড়কই এখন ভগ্নদশায় পরিনত হয়েছে। এতে ওই সকল সড়কে প্রতিদিন প্রায় কয়েক লাখ মানুষকে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
জানাগেছে, ধুনট উপজেলায় সড়ক ও জনপদ বিভাগ এবং এলজিডির প্রায় সাড়ে ৩শ কিলোমিটার পাকা সড়ক রয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন যাবত সড়কগুলো মেরামত না করায় গত কয়েক দিনের ভারী বর্ষনে প্রায় ২শ কিলোমিটার সড়কই এখন চলাচলের অনুপযোগি হয়ে পড়েছে। সড়কগুলোর বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে খানাখন্দে পরিনত হয়েছে। কোন কোন সড়কের দু’পাশ ভেঙ্গে ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এতে সাধারন মানুষ ও ব্যবসায়ী সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষকে প্রতিনিয়ত চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্থ সড়কগুলোর মধ্যে সড়ক ও জনপদ বিভাগের জনগুরুত্বপর্ন ধুনট-শেরপুর সড়ক, হুকুমআলী বাইপাস সড়ক, এলজিডির সড়কগুলোর মধ্যে ধুনট-বাইপাস সড়ক, হুকুমআলী-মথুরাপুর সড়ক, দিঘলকান্দি-চৌকিবাড়ী সড়ক, ধুনট-সোনাহাটা সড়ক, সোনাহাটা-ধামাচামা সড়ক, কান্তনগর-বিলচাপড়ী সড়ক, বিলচাপড়ী-নয়মাইল সড়ক, হাঁসখালি-হেউটনগর সড়ক, বথুয়াবাড়ী-শাকদহ সড়ক, বিলচাপড়ী-নয়মাইল সড়ক, কান্তনগর কালেরপাড়া সড়ক, গোপালনগর-খাটিয়ামারী সহ আরো বিভিন্ন গ্রামের পাকা সড়কই এখন চলাচলের অনুপযোগি হয়ে পড়েছে।
ধুনট-শেরপুর সড়কের সিএনজি চালক আব্দুর রহমান জানান, এই সড়কটি জনগুরুত্বপূর্ণ। এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন বিভিন্ন রুটের প্রায় কয়েক হাজার যানবাহন চলাচল করে। দীর্ঘদিন যাবত মেরামত না করায় বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে খানাখন্দে পরিনত হয়েছে। যার কারনে ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে।
চৌকিবাড়ী গ্রামের ধান ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম জানান, চৌকিবাড়ী-দিঘলকান্দি সড়ক দিয়ে দুইটি ইউনিয়নের হাজারও লোকজন যাতায়াত করে। কিন্তু এসড়কটি দীর্ঘদিন যাবত মেরামত না করায় বর্ষার পানিতে রাস্তার দু’পাশ ভেঙ্গে গেছে। একারনে কয়েকদিন যাবত ভ্যান ছাড়া অন্য যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। তাই এঅঞ্চলের কৃষকদের কৃষি পণ্য পরিবহনে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
ধুনট উপজেলা প্রকৌশল কর্মকর্তা জহুরুল ইসলাম বলেন, বিভিন্ন গ্রামে নতুন নতুন পাকা সড়ক নির্মান করা হচ্ছে। এছাড়া ১৫টি ক্ষতিগ্রস্থ সড়ক পুননির্মান কাজ চলমান রয়েছে। অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্থ সড়কগুলো মেরামতের জন্য তালিকা পাঠানো হয়েছে।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন