বগুড়া সংবাদ ডট কম (শিবগঞ্জ প্রতিনিধি রশিদুর রহমান রানা) : শিবগঞ্জ উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নের কুকি-কালিদাস থেকে কুকি জগন্নাথপুর ভায়া বড়িয়ারহাট পর্যন্ত সড়ক দ্বিতীয় পর্যায়ে ৪০ দিনের কর্মসৃজন প্রকল্পের আওতায় সংস্কার করায় এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের কষ্ট লাঘব হয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় এলাকার ৪টি গ্রামের ৬ হাজার সাধারণ মানুষ সহ স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী শিক্ষার্থীরা ওই রাস্তা দিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ কষ্ট করে যাতায়াত করতো। এ প্রকল্পের আওতায় অত্র এলাকার মসজিদ, মন্দিরের সড়ক গুলি সংস্কার করায় এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ লক্ষ করা যায়। অত্র এলাকার আব্দুল মান্নান ওরফে লম্বা মান্নান জানান এই প্রকল্পের আওতায় আমাদের এলাকার দীর্ঘদিনের চলাচলের কষ্ট লাঘব হয়েছে। এব্যাপারে প্রকল্প সভাপতি আব্দুল লতিফ মেম্বার বলেন বর্তমান সরকারের এই কর্মসূচির মাধ্যমে এলাকার চলাচলের অযোগ্য সড়কগুলি সংস্কার করা হচ্ছে। উক্ত ইউনিয়নের মেম্বার মোতালেব হোসেন জানান এই কর্মসূচির মাধ্যমে একদিকে যেমন গরিব দুখিদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হচ্ছে একই সাথে এলাকার উন্নয়নের ব্যাপক ভূমিকা পালন করছে। কাজ গুলি পরিদর্শন করেন সৈয়দপুর ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদ হাসান তৌফিক। তিনি বলেন বর্তমান সরকারের দ্বিতীয় দফায় এই প্রকল্প এলাকার অবহেলিত অসহায় গরিব লোকের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে। অপরদিকে দেউলী ইউনিয়নের দহপাড়া হতে কাচারি পাড়া হয়ে বাঙ্গালিআড়া ভায়া ছয়ঘড়িয়া পাড়া পর্যন্ত সড়ক সংস্কার করায় এলাকার পাঁচটি গ্রামের ৫ হাজার লোকের চলাচলের ব্যাপক সুবিধা হয়েছে। এছাড়া এলাকার ৪টি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সময় মত বিদ্যালয়ে যাওয়ার জন্য সাইকেল ও ভ্যানের চলাচলে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘব হয়েছে। এলাকার জাহাঙ্গীর হোসেন (৬০) বলেন বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা বর্তমান সময়ে এলাকার গরীব দুঃখী খেটে খাওয়া গবীর অসহায় মানুষের রুজি রোজগারের ব্যবস্থা করেছেন। প্রকল্প সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন মেম্বার বলেন আমাদের এলাকায় এই প্রকল্পের মাধ্যমে অনেক অবহেলিত সড়ক সংস্কার করা হয়েছে। কাজ চলাকালিন সময় সড়ক গুলির সংস্কার কাজ পরিদর্শন করেন দেউলী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হাই। তিনি বলেন বর্তমান সরকারের কর্মসৃজন প্রকল্পের মাধ্যমে অবহেলিত গ্রাম বাংলার উন্নয়নের জন্য এই প্রকল্পের গুরুত্ব অপারেসীম। প্রকল্পের মাধ্যমে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ মসজিদ মন্দিরের চলাচলের রাস্তা সংস্কার করা সম্ভব হয়েছে। এব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী তৌহিদুল ইসলাম তৌহিদ বলেন প্রকল্পের মাধ্যমে সকল প্রকার উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। প্রকল্পের কোন রুপ অনিয়ম মেনে নেওয়া হবে না। এই প্রকল্পের সঙ্গে এলাকার অসহায় গবীর দুঃখি মানুষের কর্মসংস্থানের মাধ্যমে রুজিরোজগারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাই অসহায় গরীব দুঃখিদের অর্থ কোন অনিয়ম মেনে নেয়া হবে না। এব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায় কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন বলেন দ্বিতীয় পর্যায়ে এই প্রকল্পের মাধ্যমে এলাকার রাস্তা ঘাটের অসমাপ্ত কাজ গুলি সমাপ্ত করে সড়ক গুলি চলাচলের সুবিধা সৃষ্টি করা হয়েছে। এই প্রকল্পে কোন অনিয়ম মেনে নেওয়া হবে না।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন