বগুড়া সংবাদ ডট কম (শিবগঞ্জ প্রতিনিধি রশিদুর রহমান রানা) : মাত্র ৬ ছয় হাজার টাকার জন্য ৪ খুন হয়েছে বলে দাবী পুলিশের। এ ঘটনার ১ এক সপ্তাহ পর মূল কিলার জুয়েল শেখ সহ-৩ জনকে গ্রফতার করেন বগুড়া পুলিশ সুপার,আলী আশরাফ ভূঞা গত ১৪ই মে রোজ সোমবার দুপুরে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত জরুরী এক প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার জানান চাঞ্চল্যকর ৪ খুনের জড়িত এই তিন আসামীকে ধরতে সক্ষম হয় গ্রেফতারকৃতরা হলেন,বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার কাটগড়া চকপাড়া গ্রামের রফিকুল শেখের ছেলে জুয়েল শেখ(২৫),চন্দরপুর তালুক্দার পাড়া গ্রামের আব্দুস ছামাদের ছেলে আবুল কালাম আজাদ(৪৮),আবং ডাবইর গ্রামের মৃত আবু বক্করের ছেলে মোঃ রূবেল(৩৫)। এদের মধ্যে জুয়েল শেখ নিজ হাতে জাকারিয়াকে গলা কেটে খুন করেছে বলে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দিয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের তথ্যে মতে,পুলিশ সুপার জানান,এ খুনের সাথে মোট ৯ জন জড়িত আছে। মূলত মাদক বিক্রির টাকা নিয়েই এই চাঞ্চল্যকর খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে গ্রেফতারকৃতদের দেয়া তথ্য থেকে জানা গেছে। মাদকের টাকা নিয়ে নিহত জাকারিয়া ও সাবরুলের সাথে জুয়েল শেখের বিরোধ ছিল অনেক আগে থেকেই,জাকারিয়া জুয়েল এর নিকট থেকে মাত্র ৬ হাজার টাকা পাওনা ছিল।ঘটনার ২/৩ দিন আগে জুয়েল সহ অন্যান্য খুনিরা খুনের পরিকল্পনা করে। তার পর ঘটনার রাতে জাকারিয়াকে ফোন করে,তারা জাকারিয়াকে টাকা নেয়ার জন্য আসতে বলে। সাথে সাবরুলকেও আনতে বলে,পাওনা টাকা পাওয়ার আশায়,জাকারিয়া ও তার বন্ধু সাবরুলকে সাথে নিয়ে জুয়েল এর নিকট যাওয়ার পথে মাঠের মধ্যে তাদেরকে আটকে দুজনকেই গলা কেটে হত্যা করা হয়। জুয়েল নিজে হত্যা করে জাকারিয়াকে,আর সাবরুলকে হত্যা করে অন্যজন। সে সময় ঐ এলাকা দিয়ে যাওয়া খুনের প্রত্যক্ষদর্শী হেলাল ও খবির কে দেখতে পেয়ে তাদের দুজনকেও খুন করা হয়েছে বলে জানান,হেলাল এবং খবিরকে হত্যা করা তাদের কোন টার্গেট ছিলনা।
পুলিশ সুপার সহ জেলা পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা গ্রেফতারকৃতদের নিয়ে গতকাল সোমবার ঘটনাস্থলে গিয়ে,এর পর তাদের মূখ থেকে খুনের ঘটনার স্থান ও বর্ননা শুনেন। তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরন করা হবে,প্রয়োজনে তাদেরকে রিমান্ডে নেয়া হতে পারে বলে জানান পুলিশ সুপার আশরাফুল ভুঁঞা।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন