বগুড়া সংবাদ ডটকম (হাদিসুর রহমান) : বগুড়ার মাঝিরা হতে একটি বড় হনুমান উদ্ধার করেছে বন্যপ্রাণি অপরাদ দমন ইউনিট এর সদস্যরা।  শনিবার সকাল ১০ ঘটিকায় শাহজাহানপুর থানার সামনে হতে ট্রাঙ্ককুলাইজার ব্যবহার করে প্রথমে হনুমান টিকে অচেতন করা হয়।এবং পরে সামাজিক বন বিভাগ অফিসে আনা হয়। গত চার পাচ দিন হতে হনুমানটি হনুমানটি বগুড়ার ধুনট ও শাহজাহানপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিচরন করছিল।

খাবারের খোজে বিচরন করা দলছুট হনুমানটিকে দেখতে উৎসুক এলাকাবাসি প্রতিদিনই ভিড় জমাতো। উৎসুক জনতা কেই খাবার দিত, অনেকেই ঢিল ছুড়তো, আবার মেওে ফেলার জন্য কেউ কেউ কলা রুটির মধ্যে সুচ দিয়ে খেতে দিত। বিষয়টি অবগত হওয়ার পর প্রাণহানির আসঙ্কা দেখা দেওয়ায় শিক্ষার্থীদের পরিবেশবাদী সংগঠন “তীর’ সরকারি আজিজুল হক কলেজ,বগুড়া এর সাধারন সম্পাদক মোঃ আরাফাত রহমান হনুমানটি উদ্ধার করার জন্য সামাজিক বন বিভাগ বগুড়া অফিসে যোগায়োগ করে।

পরে বন্যপ্রাণি অপরাধ দমন ইউনিট ঢাকাকে জনানো হলে এর পরিচালক জনাব মিহির কুমার দলছুুট হনুমানটি উদ্ধার করার জন্য নির্দেশ দেন। এজন্য বন্যপ্রাণি অপরাধ দমন ইউনিট এর পরিদর্শক অসীম মল্লিক ও আব্দুল্লাহ আস সাদিক গতকালই বগুড়া আসেন ও হনুমানটির বিচরন এলাকা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহন করেন।সব প্রস্তুতি গ্রহন করে আজ সকাল সাত টায় সামাজিক বন বিভাগ বগুড়া এর ডিএফও জনাব মুহাম্ম্দ সুবেদার ইসলাম এর উপস্থিতে বন্যপ্রাণি অপরাধ দমন ইউনিট এর পরিদর্শক অসীম মল্লিক ও আব্দুল্লাহ আস সাদিক উদ্ধার কায়ক্রম পরিচালনা করেন।

উৎসুক জনতার ভিড় ও নিরাপদ স্থানে হনুমানটি না থাকায় কয়েকবার চেষ্টার পর শাহজাহানপুর থানার পার্শ্বে একটি বাড়ির ছাদে চেতনা নাশক প্রয়োগ করেন আব্দুল্লাহ আস সাদিক।প্রায় পাঁচ মিনিট পর চেতনা হারালে হনুমানটিকে খাচায় ভরা হয়। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন শিক্ষার্থীদের পরিবেশবাদী সংগঠন “তীর’ এর সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান, প্রাণিবিদ ড. এসএম ইকবাল, ফরেস্টার তোফাজ্জল হোসেন, ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ বগুড়া শাখার এর সভাপতি মিজানুর, তৌফিক হাসান সহ স্থানীয় এলাকার হাজারো উৎসুক জনতা।

জনাব আব্দুল্লাহ আস সাদিক জানান উদ্ধারকৃত প্রণিটি পোড়ামুখ হনুমান (এৎধু খধহমঁৎ)। ধারনা করা হচ্ছে যশোরের কেশবপুর হতে হনুমানটি দলছুট হয়ে এসেছে। আজ হনুমানটি প্রকৃতি ও বন্যপ্রানি সংরক্ষন বিভাগ, রাজশাহীতে ও পরে যশোরের কেশবপুরে ছেড়ে দেওয়া হবে পাঠানো হবে বলে ডিএফও মুহাম্মদ সুবেদার ইসলাম।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন