বগুড়া সংবাদ ডট কম (মহাস্থান প্রতিনিধি এস আই সুমন) : বগুড়ার ডাকুমার হাটের রাজস্বের টাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিলে , হরিলুট, দেখার কেউ নেই। সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, বগুড়ার মোকামতলার অদুরে গাবতলী উপজেলার দক্ষিণপাড়া ইউনিয়নের ডাকুমারা হাটটি গত ১৪২৪ বাংলা সনে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আহসান হাবীব সেলিম সরকারী ভাবে ডেকে নেয়। আব্দুলল্লাহ আল মাহমুদ হাসান রানা এ বছর সর্বচ্চ দরদাতা হিসাবে ১,৪৮,১০,৫১০ টাকায় তার পাওয়ার কথা। এদিকে আহসান হাবিব সেলিম মহামান্য হাইকোর্টে একটা রিট করলে এবারের হাট ইজারা বন্ধ রেখে সরকারী ভাবে গাবতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে হাটের টোল আদায়ের দায়িত্ব পড়ে। তিনি দক্ষিণ পাড়া ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যদেরকে টোল আদায়ের দায়িত্ব দেন। এব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যানের সাইফুল ইসলামের সাথে গত ১৫ এপ্রিল (রবিবার) বিকালে কত টাকা হাটের টোল আদায় হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কত টাকা আদায় হয়েছে বা জমা হয়েছে তা বলা যাবে না। সর্বচ্চ দরদাতা রানার সাথে কথা বললে তিনি জানান, চেয়ারম্যান আদায়ের সম্ভাবত ১,৫০০০০ টাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাছে জমা দিয়েছে। প্রকৃত পক্ষে প্রায় ৩ লক্ষ টাকা টোল আদায় হয়েছে। অপর দিকে পুরানো ইজারাদের মাধ্য হাটের টোল আদায়ের চেষ্টা করা হলে আমি বাধা দিয়ে বলি যে যতদিন হাইকোর্টের আদেশ নিষ্পত্তি না হয়েছে ততদিন আমি সরকারী কাছে সহযোগীতা করব। তবে এখানে কোন অন্যায় হতে দেব না। সে আরো জানান টোল আদায়ের ( রাজস্বের) বাকী টাকা কোথায় গেল। তাদের ধারনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, দক্ষিনপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম সাইফুল ও ইউপি সদস্যগণ বাঁকী টাকা আত্মসাত করেছে। এ ব্যাপারে গাবতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে কথা বললে তিনি জানান, হাটের টোল আদায়ের টাকা তছরুপের সাথে আমি জড়িত নই। ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যদেরকে রিসিভ অনুযায়ী টোল আদায় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এর ব্যতিক্রম করা হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হইবে।
যারা সরকারী রাজস্ব তছরুপ করে আত্মসাৎ করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য এলাকাবাসী উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবী জানান।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন