বগুড়া সংবাদ ডট কম(ধুনট প্রতিনিধি ইমরান হোসেন ইমন ): বগুড়ার ধুনট উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শামছুল বারীর ৭শতক জায়গা দখল করে বাড়ী নির্মানের অভিযোগ উঠেছে। তবে এবিষয়ে থানায় লিখিত দেওয়ায় প্রভাবশালী দখলকারীরা উল্টো পুলিশের বিরুদ্ধেই মিথ্যা অভিযোগে ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করে তদন্ত কাজ ব্যাহত করার চেষ্টা করছে। বিকালে ধুনট মডেল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন সাবেক ওই ইউপি চেয়ারম্যান। লিখিত সংবাদ সম্মেলনে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শামছুল বারী বলেন, ২০১৭ সালে মথুরাপুর ইউনিয়নের আব্দুস সামাদের স্ত্রী মনোয়ারা খাতুনের কাছ থেকে আলোয়া মথুরাপুর মৌজার মথুরাপুর বাজার সংলগ্ন পূর্ব-পশ্চিম দৈর্ঘ ৭ শতক জমি ক্রয় করি। যাহার খাজনা-খারিজ করে আমার নামে হোল্ডিং খোলা রয়েছে। কিন্তু তারপরও পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মধুপুর গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে মহসীন আলী গত ২৭ মার্চ আমার ক্রয়কৃত জমিতে জোড়পূর্বক বাড়ী নির্মান করে। এতে বাঁধা দিতে গেলে মহসীন ও তার লোকজন আমাকে মারধরে আহত করে। এবিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ উভয়পক্ষেকে থানায় আসতে বলে। গত ১ এপ্রিল ধুনট থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) ফারুকুল ইসলাম, এসআই আব্দুর রাজ্জাক, মথুরাপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ জেমস্ মল্লিক, আজাহারুল ইসলাম ও উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক মহসীন আলম সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে উভয়পক্ষের কাগজপত্র দেখে আমার জমির বৈধতা রয়েছে বলে বিষয়টি মিমাংসা করে উপস্থিত সকলের কাছ থেকে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। তবে মহসীন আলী জমির কোন বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পেরে ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা থানার এসআই আব্দুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করে তদন্ত কাজ ব্যাহত করার চেষ্টা করছে। এছাড়া প্রতিপক্ষ মহসীন আলী আমার জায়গায় জোড়পূর্বক নির্মান করা বাড়ী অপসারন না করেই আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছে। ধুনট থানার এসআই আব্দুর রাজ্জাক জানান, স্থানীয় ব্যক্তিবর্গদের সহযোগিতায় উভয়পক্ষকে নিয়ে বিষয়টি মিমংসা করে দেওয়া হয়। আর এতে মহসীন আলী ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে মারধর করার মিথ্যা অভিযোগ আনে। এরপর সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করে। অথচ মহসীন আলী তার জমির কোন বৈধ কাজগপত্র দেখাতে পারেনি। তারপরও সে প্রভাব খাটিয়ে জোড়পূর্বক বাড়ী নির্মান করেছে। এবিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে।
ধুনট থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) ফারুকুল ইসলাম বলেন, উভয়পক্ষকে নিয়ে থানায় বসা হলেও সেখানে কাউকে মারধর করা হয়নি। তারপরও তারা পুলিশকে হয়রানী করতে ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করেছে। তবে ইউপি চেয়ারম্যানের জায়গা দখলের বিষয়টি নিষ্পত্তি না হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Facebook Comments (ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন